বাংলাদেশ লিগ্যাল এন্ড হিউম্যান রাইট্স সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন

বাংলাদেশ লিগ্যাল এন্ড হিউম্যান রাইট্স সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন(বিএলএইচআরএসএফ) একটি মানবাধিকার ও আইনগত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। এর উদ্দেশ্য হলো জনগণের আইনগত সচেতনতা বাড়ানো এবং মানবাধিকার রক্ষার জন্য সমর্থন প্রদান করা। ইব্রাহীম খলিল (মজুমদার) ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে আইনগত সহায়তা, মানবাধিকার বিষয়ক শিক্ষা ও জনসচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছেন। তিনি বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ অ্যাডভোকেট এবং আইন বিচারিক ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছেন। ফাউন্ডেশনটি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করা জনগণের পাশে থেকে তাদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে চলছে।

চেয়ারম্যানের বাণী

আমি বাংলাদেশ লিগ্যাল এন্ড হিউম্যান রাইট্স সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে আপনাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানাচ্ছি। আমাদের এই সংগঠনটি মানবাধিকার রক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান এবং সমাজের দুর্বল ও অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো সকলের জন্য ন্যায্য বিচার ও মানব মর্যাদার নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করা। আমরা বিশ্বাস করি, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তুলতে হলে মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। তাই, আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি যাতে প্রতিটি মানুষ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। আমাদের সংগঠনের সদস্যরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে, যাতে আমরা সমাজের বিভিন্ন অসুবিধা ও বৈষম্য দূর করতে পারি। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার রক্ষা অপরিহার্য।

আমি সকলের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, আসুন আমরা সবাই একত্র হয়ে মানবাধিকার রক্ষার জন্য কাজ করি। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সুস্থ পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় আমাদের সকলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আসুন, আমরা সবাই মিলেমিশে একটি সুন্দর, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

ইব্রাহীম খলিল (মজুমদার)
চেয়ারম্যান- বাংলাদেশ লিগ্যাল এন্ড হিউম্যান রাইট্স সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন

সেক্রেটারির বাণী

আমি বাংলাদেশ লিগ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি হিসেবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে খুবই গর্বিত এবং আনন্দিত। আমাদের সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো মানবাধিকার রক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে শান্তি ও সুসংহতির জন্য কাজ করা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও একতা আমাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে। আমাদের সংগঠনের সদস্যরা হলো সমাজের মূল স্তম্ভ, যারা তাদের স্বার্থের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি আশা করি, সবাই একসাথে কাজ করে দেশের মানুষের জন্য সুন্দর ও মানবিক পরিবেশ সৃষ্টি করবে। আমি সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞ। আসুন, আমরা সবাই মিলে একসাথে এগিয়ে যাবো, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করবো এবং সমাজে শান্তি ও সুস্থতা বজায় রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাবো।

শাহরিফ হোসেন (সুমন)
সেক্রেটারি – বাংলাদেশ লিগ্যাল এন্ড হিউম্যান রাইট্স সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা

এই সংস্থাটি হবে একটি অলাভজনক, অরাজনৈতিক ও অসাম্প্রদায়িক স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা।

অভীষ্ট জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, পারিবারিক পুষ্টি, নিরাপদ মাতৃত্ব গ্রহণ, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি ও যুগোপযোগী স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা; বিনা মূল্যে চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করা, ঔষধ সরবরাহ করা; আর্সেনিক সংক্রামক ব্যাধি, এইচআইভি প্রতিরোধ করা ও অন্যান্য মহামারী দূরারোগ্য রোগ সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা; ফ্রি ক্যাম্প চিকিৎসা প্রদান, স্যাটেলাইট ক্লিনিক, চক্ষু শিবির, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সচেতনমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করা।

যে কোন জনহিতকর কার্যক্রম পরিচালনা এবং জনগণের কল্যাণসাধন কল্পে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।

সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা; অসহায় সম্বলহীনদের বিনা মূল্যে থানা, কোর্ট কাচারীতে আইনী সহায়তা প্রদান করা, অবিচার ও জুলুম বন্ধ করা, এবং বেআইনী দখল প্রতিরোধ করার জন্য আইনী সহযোগিতা করা।

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আপামার জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা এবং পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারে উৎসাহিত করা।

ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা স্থাপন ও পরিচালনা করা; ধর্মীয় রীতি-নীতি প্রচার ও সামাজিক মূল্যবোধ সমুন্নত করা; মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা।

স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার সম্প্রসারণ তথা বিকাশমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা; বয়স্ক শিক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করা; আধুনিক বিজ্ঞান সম্মত শিক্ষার বিকাশ সাধন করা; ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করা; বই খাতাসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা; নিরক্ষতা দূর করা; গণশিক্ষা কার্যক্রমে সরকারকে সহযোগিতা করা।

নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, নারী নির্যাতন বন্ধ করা, বাল্য বিবাহ ও বহু বিবাহ রোধ করা, যৌতুক প্রথা বন্ধ করা, ধুমপান বন্ধ, মাদক পাচার বন্ধ করা এবং ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করার জন্য সহায়ক কার্যক্রম গ্রহণ করা।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসংখ্যা সমস্যা দূর করা, বস্তির উন্নয়ন, বস্তিবাসীদের পূর্ণবাসন, দূষণমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।

প্রাকৃতিক দূর্যোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, জরুরী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা, ত্রাণ সামগ্রী গ্রহণ বা সংগ্রহ করা এবং বিতরণ করা। সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করা।

আমাদের আদর্শ

জেলা
0
উপজেলা
0
ইউনিয়ন
0

গ্যালারি

ভিডিও

[aiovg_videos]